উবুন্টু ইন্সটলের পর অবশ্য করণীয় কাজের লিস্টি !

Posted: July 7, 2010 in উবুন্টু / মিন্ট
Tags: ,

১। ইন্টারনেট কানেকশানঃ

প্রথমেই ইন্টারনেট কানেক্ট করে ফেলুন। এজন্য System -> Preferences -> Network Connections এ যান। এরপর প্রয়োজনীয় সব তথ্য দিয়ে ইন্টারনেট কানেক্ট করে ফেলুন। ইন্টারনেট কানেকশান নিয়ে কোন ধরনের সমস্যায় পড়লে আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে সেটা তুলে ধরতে পারেন।

২। হার্ডওয়্যার ড্রাইভারঃ

সাধারণত উবুন্টু ইন্সটলের সময়ই সব হার্ডওয়্যার ডিটেক্ট করতে পারে। তবে প্রোপেইটরি কিছু হার্ডওয়্যারের ড্রাইভার (ওয়্যারলেস কার্ড, গ্রাফিক্স কার্ড ইত্যাদি) ইন্সটলের সময় যুক্ত করা হয়না। এগুলোকে পরে আলাদাভাবে ইন্সটল করে নিতে হয়। System -> Administration -> Hardware Drivers থেকে চেক করে দেখুন আপনার কম্পিউটারের জন্য বাড়তি কোন ড্রাইভার ইন্সটল করা লাগবে কিনা। যদি কোন হার্ডওয়্যারের ড্রাইভার ইন্সটল করার দরকার হয় তবে সেটা (বা সেগুলো) এখানে দেখাবে। তালিকা থেকে একে একে সিলেক্ট করে ইন্সটল করে ফেলুন।

৩। আপডেট ম্যানেজারঃ

এবার আপডেট ম্যানেজার রান করুন। এতে করে আপনার সিস্টেম আপটুডেট হবে।

System-> Administration-> Update Manager এ ক্লিক করুন। তারপর Check এ ক্লিক করুন। এরপর সব আপডেটের লিস্ট আসলে Install Update এ ক্লিক করুন।

৪। উবুন্টু টুইকঃ

ডেস্কটপসহ আপনার পিসির অন্যান্য বেশ কিছু কাজের সিস্টেমের সেটিংসকে সহজভাবে ব্যবহার করার জন্য ‘উবুন্টু টুইক’ একটা দারুন সফটওয়্যার। ‘উবুন্টু টুইক’ ডাউনলোড করতে এইখানে যান। এবার ডাউনলোড করা .deb ফাইলটিকে ডাবল ক্লিক করে ইন্সটল করে ফেলুন। ইন্সটলশেন শেষ হলে Applications -> System Tools -> Ubuntu Tweak থেকে ‘উবুন্টু টুইক’ রান করতে পারবেন।

৫। সফটওয়্যার সোর্সঃ

সবগুলো রিপোজিটরি এনাবল করুন (যদি এনাবলড না হয়ে থাকে)। এজন্য System-> Administration -> Software Sources এ যান। উবুন্টুতে প্রয়োজনীয় সব সফটওয়্যারগুলো একটা স্টোরেজ বা ব্যাংকের মত জায়গায় জড়ো করা থাকে, যেখানে গিয়ে আপনি আপনার পছন্দমত সফটওয়্যার ইন্সটল করতে পারবেন। সেই ব্যাংক বা স্টোরেজকে গ্রাফিক্যালি ব্যবহার করার দুটো পদ্ধতি হচ্ছে Ubun/tu Software Center ও Synaptic Package Manager। এই স্টোরেজে যত সফটওয়্যারের সোর্স বা রিপো (রিপোজিটরি) থাকবে, আপনার পিসি’র জন্য তত বেশি সফটওয়্যার সহজলভ্য হবে। তাই যত বেশি রিপো এখানে এনাবলড থাকবে তত বেশি সফটওয়্যার আপনি ইন্সটল করার সুযোগ পাবেন। এবার Software Sources ওপেন হলে নিচের ছবির মত সবগুলো বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে যান।

এবার Close বাটন চেপে বেরিয়ে আসুন এবং Reload এ ক্লিক করুন।

৬। ফায়ারওয়ালঃ

আপনার পিসিতে যেকোন আন অথরাইজ এক্সেস ঠেকাতে ফায়ারওয়াল এক্টিভেট করুন। ডিফল্টভাবেই UFW ইন্সটল করা থাকে। তবে ব্যবহারের সুবিধার জন্য এর গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস ইন্সটল করে ফেলুন। এজন্য Application -> Ubuntu Software Center এ যান। নীচের মত উইন্ডো খুলবে।

তারপর উপরে ডানপাশের কোনায় সার্চবারে gufw লিখে সার্চ করুন। “Firewall Configuration” পেয়ে গেলে সেটার পাশের Install বাটনে ক্লিক করে ইন্সটল করে ফেলুন। এই কাজটা আরো সহজে কমান্ড ব্যবহার করেও করা যায়। এজন্য টার্মিনাল ওপেন করতে হবে। Applications-> Accessories-> Terminal এ ক্লিক করুন। এবার টার্মিনালে লিখুন:

sudo apt-get install gufw

তারপর Enter চাপুন। ব্যস হয়ে গেল। এখন System -> Administration -> Firewall Configuration থেকে ফায়ারওয়াল কনফিগার করতে পারবেন।

৭। রেস্ট্রিকটেড প্যাকেজ ইন্সটলেশানঃ

এবার কিছু রেস্ট্রিকটেড প্যাকেজ ইন্সটল করতে হবে। আপনি এতক্ষনে নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে আপনি ইউটিউবের ভিডিও দেখতে পারছেন না বা এম্পিথ্রি চালাতে পারছেন না! এই রেস্ট্রিকটেড প্যাকেজের কাজ হচ্ছে এসব চালানো। এতে থাকে ফ্ল্যাশ প্লেয়ার, মাইক্রোসফটের কিছু ফন্ট, জিস্ট্রিমার কোডেক, আনরার ইত্যাদি সফটওয়্যার। এজন্য সফটওয়্যার সেন্টারে গিয়ে আগের ধাপের মতই Ubuntu Restricted Extras লিখে সার্চ করে ইন্সটল করতে পারেন। কিংবা নিচের কোডটি টার্মিনালে লিখেও ইন্সটল করতে পারেন।

sudo apt-get install ubuntu-restricted-extras

৮। মিডিবুন্টুঃ

গুগল আর্থ, রিয়েল প্লেয়ার, এমপ্লেয়ার সহ ডিভিডি ও অন্যান্য আরো কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারের জন্য ইন্সটলের জন্য মিডিবুন্টুর রিপোজিটরি ইন্সটল করতে হবে। এজন্য টার্মিনালে নিচের কোডগুলো একটা একটা করে দিন এবং প্রতিবার Enter চাপুনঃ

sudo wget http://www.medibuntu.org/sources.list.d/`lsb_release -cs`.list –output-document=/etc/apt/sources.list.d/medibuntu.list && sudo apt-get -q update && sudo apt-get –yes -q –allow-unauthenticated install medibuntu-keyring && sudo apt-get -q update

sudo apt-get install libdvdcss2

এবার যদি আপনি ৩২ বিটের পিসি ব্যবহার করেন তবে নিচের কোডটি দিনঃ

sudo apt-get install w32codecs

আর যদি আপনার পিসি হয় ৬৪ বিটের তবে নিচের কোডটি দিনঃ

sudo apt-get install w64codecs

৯। ভিএলসি প্লেয়ারঃ

এবার মাল্টিমিডিয়া এক্সপেরিয়েন্সকে সর্বোচ্চ মাত্রায় নেবার জন্য ভিএলসি প্লেয়ার ইন্সটল করুন। যেকোন ফরম্যাটের ভিডিও (এবং অডিও) চালাতে এর কোন জুড়ি নেই। এজন্য সফটওয়ার সেন্টারে vlc লিখে সার্চ দিয়ে ভিএলসি প্লেয়ার ইন্সটল করুন। অথবা টার্মিনালে লিখুনঃ

sudo apt-get install vlc

এবং Enter চাপুন! Applications-> Sound & Video তে VLC Media Player পাবেন।

১০। ওয়াইন ইন্সটলেশানঃ

উইন্ডোজের সফটওয়্যারগুলোকে মিস করছেন? ব্যাপারনা! ওয়াইন ইন্সটল করুন। তারপর উইন্ডোজের সফটওয়্যারগুলোকে চালান উবুন্টুতে। ওয়াইন ইন্সটল করতে সফটওয়ার সেন্টারে গিয়ে Wine লিখে সার্চ করে ওয়াইন ইন্সটল করুন। কিংবা নিচের কোডটি টার্মিনালে চালিয়ে ওয়াইন ইন্সটল করুন।

sudo apt-get install wine

১১। কম্পিজঃ

উপরের ছবির মত আপনার ডেস্কটপে আনুন আনুন উড়া-ধুড়া বিভিন্ন ইফেক্ট। এজন্য আপনার দরকার কম্পিজ। সফটওয়্যার সেন্টারে গিয়ে Compiz লিখে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন কম্পিজ, ইন্সটল করে ফেলুন। অথবা টার্মিনালে লিখুনঃ

sudo apt-get install compizconfig-settings-manager

এরকম নানা ধরনের ইফেক্ট দেয়া সম্ভব কম্পিজ দিয়ে। এজন্য কম্পিজ ইন্সটল করার পর System-> Preferences-> Compiz Config Settings Manager এ ক্লিক করুন। এরপর আপনার পছন্দমত ইফেক্টগুলো ব্যবহার করুন।

লেখকঃ অভ্রনীল

মূল লেখাটিঃ এখানে

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s